এক মহান চিকিৎসক তারকা

খাদিজা পলি(বিশেষ প্রতিনিধি) :
ডক্টর আয়েশা এক মহান চিকিৎসা তারকার নাম,লক্ষ মানুষের ভালবাসা ও শ্রদ্ধার অভিব্যক্তি তিনি। ডাক্তারদের নিঃস্বার্থ সেবা এবং দক্ষতা মানুষের জীবনকে নতুন করে তুলতে পারে।ডাক্তারগণ শুধু চিকিৎসা করেন না, তাঁরা মানুষের মনোবল বাড়ান, আশা জাগান।ডাক্তারদের সেবা হলো মানুষের জন্য সবচেয়ে বড় উপহার, তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করার ভাষা নেই।তেমনি এক চিকিৎসক সম্পর্কে বলবো যার নাম ডক্টর আয়েশা শিল্পী। তিনি একজন বিখ্যাত চিকিৎসা বিশেষজ্ঞ। তিনি যক্ষা রোগের সু-চিকিৎসা এবং নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছেন। ঢাকার শ্যামলীতে অবস্থিত টিভি হাসপাতালের পরিচালক এবং সরকারের ঊর্ধ্বতন একটি দায়িত্বে আছেন।
তার অসাধারণ চিকিৎসা দক্ষতা এবং নেতৃত্ব গুণের জন্য তিনি প্রশংসিত।সকল মুমূর্ষূ সময়ে মানুষের পাশে থেকে তিনি সেবা সুশ্রূষা দিয়ে সুস্থ করে তোলেন। এটাই হচ্ছে প্রতিটি চিকিৎসকের দায়িত্ব, নীতি এবং আদর্শ হওয়া উচিত। বর্তমান সময়ে এত এত সমস্যার মাঝেও সু-চিকিৎসা পাওয়া দুর্লভ।কিন্তু তার ন্যায়পরায়ণতা এবং মানবিকতার চিকিৎসক হিসাবে জ্বলন্ত উদাহরণ ডক্টর আয়েশা শিল্পী। কোভিড 19 -এর সময়ে তার অবদান অবিস্মরণীয়। কোভিড 19 এর সময় তিনি সর্বোচ্চ দিয়ে সবার পাশে থাকার চেষ্টা করেছেন।পুরা বিশ্ব যখন গৃহবন্দী তখন তিনি কোভিড 19 রোগীদের সেবা করেছেন। জীবনের মায়া না করে এই বিপর্যয়ের সময় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন ডাক্তার আয়েশা শিল্পী।তার এই অসাধারণ চিকিৎসা দক্ষতা কোটি মানুষকে মুগ্ধ করেছে। তার রোগীদের প্রতি মমত্ববোধ এবং চিকিৎসা ক্ষেত্রে তার অবদান তাকে সফল চিকিৎসক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
তার প্রচেষ্টায় তাকে আজকে এই জায়গায় এনেছে। তাই সকল চিকিৎসকের উচিত অর্থলোভি না হয়ে ডক্টর আয়েশা শিল্পীর মতো সেবার জন্য কাজ করা।
এক তারকা কবি

খাদিজা পলি (বিশেষ প্রতিনিধি):কাজী শাহেদ বিন জাফর হযরত শাহজালালের সফর-সঙ্গী হযরত শাহ উমরের ফকির বংশে জন্মগ্রহণ করেন ০৩ মার্চ ১৯৭০ খৃষ্টাব্দে। বাংলাদেশের হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার আউশকান্দি ইউনিয়ন ভুক্ত বাজার সঈদপুর গ্রামের ড. জাফর আহমেদ ও আলহাজ্ব সায়েরা খাতুনের বাড়ি । জগন্নাথপুর উপজেলার কুবাজপুর উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা (খণ্ডকালীন) শুরু করেন । বর্তমানে নিকাই ও তালাক রেজী. হিসেবে আপন উপজেলার আউশকান্দি ইউনিয়নে কর্মরত। বাবা-মায়ের সংসারে পাঁচ ভাই ও দুই বোনের মধ্যে সবার বড়ো হওয়ায় সাংসারিক নানা দায়িত্ব বহন করে আজ অবধি পথিকতা করে চলেছেন । ১২/১২/১৯৯৮ সালে ইসলামপুর গ্রাম-নিবাসী ময়না মিয়ার দ্বিতীয়া কন্যা মহিমা আক্তার শিবলীর সাথে প্রণয়সূত্রে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন । তাঁদের তিনটি সন্তান – শামসুর রহমান আল্ আরিফ , শোয়াইবুর রহমান আশ্ শারীফ ও সাইফুর রহমান আস্ সায়িফ । তিনি একাধারে দায়িত্ববান পুত্র, ভ্রাতা, স্বামী এবং পিতা । প্রতিষ্ঠিত সাহিত্যিক ও সেবামূলক কর্মী হিসেবে কাজী শাহেদ বিন জাফর এক ব্যক্তিত্বপূর্ণ নাম।সাহিত্য জগতে তার সৃষ্টিশীল লেখালেখি তে অবদান অনেক। সাহিত্য চর্চা তার একটি পেশা,তিনি একজন প্রাবন্ধিক কবি ও বটে। যেখানে তাকে সাহিত্যিক চর্চা এবং প্রাবন্ধিক কবি হিসেবে সম্মান প্রদান করা হয় (সিলেট জেলা পরিষদ) থেকে। এই সুবিশাল কর্মযজ্ঞের পথে পথচলিষ্ণু কলম সৈনিক কাজী সাহেদ বিন জাফর। কর্তব্য কর্ম ও পরিবারমুখী বিন জাফর সততা আর ন্যায় বিচারের ক্ষেত্রে সুশীল ব্যক্তিত্ব।সৃষ্টিকর্তার কাছে তার সফলতা কামনা করি।
একজন আলোকিত ব্যক্তিত্ব

খাদিজা পলি ( বিশেষ প্রতিনিধি): একজন আলোকিত মানবিক ধর্মপ্রাণ সন্ন্যাসের আচরণ ও ব্যক্তিত্ব কেমন তা হয়তো কখনো কেউ প্রত্যক্ষ না করলে অনুধাবন করতে পারবে না।জনাব শিশির হালদার ওরফে মাধব দাস যিনি একজন আলোকিত সন্ন্যাস ব্যক্তিত্ব।সরাসরি যাকে দর্শনের সৌভাগ্য হয়েছিল তার আলোকিত আচরণ ও তার মুখ বাক্যে আমাদের হৃদয় আলোকিত হয়েছিল।বর্তমান সমাজে শিশির হালদারের মতো ব্যক্তিত্বের বড়ই অভাব। উনার মত ধার্মিক, মানবিক ও বিনয়ী ব্যক্তি আমাদের বর্তমান সমাজের জন্য খুবই দরকার।কারণ তার এই মনমুগ্ধকর আচরণ আমাদের তরুণ সমাজকে প্রভাবিত করবে।তার শিষ্টাচার,অবনীত মস্তিষ্ক ও বিনয়ী আচরণ মানুষকে মুগ্ধ করে। তিনি একজন সৎ মনের মানুষ এবং খুবই সুশৃঙ্খল ব্যক্তিত্বের অধিকারী।তার শৃঙ্খলতা ও উদারতা হৃদয়কে স্পর্শ করে।তার ব্যক্তি জীবনী নিতান্তই সহজ সরল দেখা না হলে হয়তো উপলব্ধি করতে পারতাম না।জয় হোক শিশির হালদারের মতো অগণিত ধর্মপ্রাণ ও মানবিক ব্যক্তিত্বের।